TopTime

আজ ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘ভেতরিন লুকিয়ে হলে সঙ্গে’র পাঠ-আলোচনা: লুকানো পরিব্রাজকের খোঁজে | পর্ব: ০১ | দুর্জয় খান


ব্দগুণের আশ্রয় বা সমবায়ি কারণ হিসেবে স্বীকৃত পঞ্চম ভৌতিক পদার্থ নামে আকাশ পরিচিত। প্রশস্তপদ মতে, আমাদের শোনা শব্দ একটি বিশেষ গুণ। এই শব্দ নামক বিশেষ গুণের একটা দ্রব্যাশ্রয় দরকার। পৃথিবী জলাদি স্বীকৃত চারটি দ্রব্য এই ‘শব্দ’ গুণের আশ্রয় হতে পারে না। কারণ এগুলি নিজ নিজ বিশেষ গুণের আশ্রয় হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া, শ্রবণেন্দ্রিয় দ্বারা শব্দ প্রত্যক্ষ হয় কিন্তু শ্রবণেন্দ্রিয় পৃথিবী-জলাদি দ্রব্যকে প্রত্যক্ষ করতে পারে না। তাছাড়া যেখানে পৃথিবী-জলাদি দ্রব্য নেই, সেখানেও শব্দ শোনা যায়। ফলে, শব্দ পৃথিবী জলাদি ভিন্ন দ্রব্যের গুণ হতে বাধ্য। বিপরীতদিকে, এই শব্দ, গুণ, দিক, কাল, আত্মা ও মন নামক দ্রব্য পদার্থের গুণ নয়। যেহেতু, শব্দ ছাড়া এদের অস্তিত্ব উপলব্ধ হয়। অতএব, স্বীকৃত আটটি দ্রব্য অতিরিক্ত, শব্দ বিশেষ গুণের সমবায়ি কারণ হিসেবে নবম দ্রব্য স্বীকার্য যা আকাশ নামে ‘পঞ্চম ভৌতিক দ্রব্য’ বলে গণ্য হয়। শব্দ গুভমাকাশম অর্থাৎ শব্দ সর্বত্র শোনা যায়। তাই শব্দাশ্রয় আকাশ সর্বব্যাপী বা বিভু। আবার বিভু পদার্থ উৎপত্তি বিনাশ রহিত, যেহেতু নিরবয়ব, তাই আকাশ একটি নিত্য পদার্থ।

প্রত্যক্ষযোগ্য আকার বা মহত্ত্ব ও উদ্ধৃতরূপ আকাশের নেই বরং এটি পরম মহৎ পরিমাণ যুক্ত ও রূপহীন। এই কারণে আকাশ অতীন্দ্রিয় এবং শব্দ গুণের আশ্রয় হিসেবে অনুমান প্রমাণসিদ্ধ। ধরে নেয়া যায়, আকাশের সৎ-চিৎ-আনন্দেরই প্রতিরূপ এবং অখণ্ডরূপ। জগৎ ও জীবনসৃষ্টিই যে সাহিত্য, সে কথা কে অস্বীকার করবে? “poetry is the criticism of life”— ম্যাথু আর্নল্ডের এই তত্ত্বকে এককথায় উড়িয়ে দেবে এমন স্পর্ধা কার? আবার কবিতা থেকে প্রয়োজনের বস্তু খোঁজাও একধরনের ব্যর্থ শ্রম, অসঙ্গত এবং অন্যায়। কবি সৃষ্টি করেন। সেই সৃষ্টি দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান জগৎ থেকেই উঠেছে। এ-প্রসঙ্গে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “শুধু মানুষ নয়, অজীব সামগ্রিকেও যখন আমরা কাব্যকলার রথে তুলে তথ্যসীমার বাইরে নিয়ে যাই, তখন সত্যের মূল্যে সে মূল্যবান হয়ে ওঠে।”

কবি অরবিন্দ চক্রবর্তীর “ভেতরিন লুকিয়ে হলে সঙ্গে” কাব্যগ্রন্থ নিয়ে আলোচনার শুরুতেই যেটা আমার মনে হয়েছে তা হলো উপস্থাপনের পদ্ধতি। এর জন্য আমাকে উক্ত কাব্যগ্রন্থের সবক’টি কবিতা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পাঠ করতে হয়েছে, কবির সত্তায় প্রবেশ করতে হয়েছে, মনস্তত্ত্বকে গভীরে নিয়ে ব্যাখ্যা করতে হয়েছে। যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে লিখবার চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতা না থাকলে হয়তো কবি অরবিন্দ চক্রবর্তীর আকাশ নামক তত্ত্বকে আবিষ্কার করতে পারতাম না। মূলত উপস্থাপনার পদ্ধতিই সবকিছু। অনুপুঙ্খ এতেই চিহ্নায়ক হয়ে ওঠে। পাঠকৃতির বাইরে কিছু নেই। গ্রহণ ও অধ্যাবসায়কে ধারণ করা অতীব জরুরী। যা আছে উপস্থাপনার সূত্রেই আছে। কবিতার ভাষ্য, তার তাৎপর্য সবকিছু। আলোকে যেমন অন্য আলোর সাহায্যে চিনিয়ে দিতে হয় না তেমনি প্রতিবেদনের নিষ্কর্ষকেও বহির্বৃত অতিরিক্ত বাচন দিয়ে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। নিজেকে তা নিজেই ব্যাখ্যা বা উন্মোচন করে বলে এর মধ্যে দেখি স্বাধীন ও সার্বভৌম লিখন প্রক্রিয়ার প্রকাশ।

ভেতরিন লুকিয়ে হলে সঙ্গে’র ভেতর যে পরিব্রাজক অন্তর্বৃত কর্তৃত্বাভিমান নান্দনিক প্রক্রিয়ার উপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করেছে সেই পরিব্রাজককে নন্দনের পর্যায়ে নিয়ে ভাবাদর্শগত গৌণপাঠ কিভাবে গৃহীত ও বিশ্লেষিত হবে তা আমি ভাবতেই চাই না কিংবা মূলত আলোচনায় আনতেও চাই না। আমি সেটাই বলবো যে, কিভাবে অরবিন্দের কবিতায় আধুনিকোত্তরবাদের দিকে যাত্রা আরম্ভ করেছে৷ হাচিয়েনের ভাষায়  “cultural practice have an ideological subtext which determines the conditions of the very possibility of their production of meaning”

কিন্তু তা সত্ত্বেও খটকা থেকে যায়, কীভাবে তাৎপর্য নিঙড়ে নেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে বহু দ্বিধা ও সংশয় কাটিয়ে উঠতে পারি আমরা। শুধু তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এমন নয়; প্রশ্ন উঠছে প্রয়োগ নিয়েও। প্রয়োগের ব্যপারে আধুনিকোত্তর প্রতিবেদনে চিন্তার সব সীমান্ত বিশ্লেষণ প্রকরণ ভেঙে পড়ে বলে আমি মুক্ত পরিসরের ওপর সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আসলে জটিল সময়ের অভিব্যক্তিকে সাধারণ পদ্ধতি দিয়ে বিচার করা খুব সহজ কাজ নয়। একদিকে প্রাতিষ্ঠানিক রচনাপ্রকরণ অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক লিখন প্রক্রিয়া, আশ্চর্যজনকভাবে এই দ্বিমেরুবিষম অবস্থানে সংলগ্ন থাকতে পারে আধুনিকোত্তর চেতনা। অর্থাৎ একদিকে প্রতাপের কৃৎকৌশলকে সমর্থন যোগান দেয়, অন্যদিকে তার বিরোধিতা করতে পারে। ‘ভেতরিন লুকিয়ে হলে সঙ্গে’র পাঠ-অভিজ্ঞতা অন্তত তা-ই বলে। যেমনটি হাচিয়েন বলেন, “postmoderness is a contradictory phenomenon, one that uses and arbuses installs and then, subverts, the very concepts it challenges.”

ভেতরিন লুকিয়ে হলে সঙ্গে-এর ‘জনখেলা’ কবিতাটির প্রথম পাঁচ চরণ পাঠ করা যাক:

ধমনি।। টগবগ।। হুইশকি।। রিখটার স্কেল।। ঘোড়সওয়ার 

রিখটার স্কেল।। টগবগ।। ঘোড়সওয়ার।। হুইশকি।৷ ধমনি

টগবগ।। হুইশকি।। ধমনি।।রিখটার স্কেল।। ঘোড়সওয়ার 

ঘোড়সওয়ার।। টগবগ।। হুইশকি।। ধমনি।। রিখটার স্কেল

হুইশকি।। ধমনি।। ঘোড়সওয়ার।। রিখটার স্কেল।। টগবগ

“কার কার ভেতরে কম্প?” ধ্বনিতরঙ্গের এই চরিত্র কি করে বুঝবো? পিছনের দিকে আপাতদৃষ্টিতে ফেরা যাক। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্যবহৃত হতো কাইমোগ্রাফ (kymograph) যন্ত্র। যাতে ছোট্ট একটি ড্রামজাতীয় উপর গোল করে জড়ানো কাগজে একটি সুঁচ এক ধ্বনি কম্পনের ছবি এঁকে দিতো। তাতে শ্বাসনালীর ধ্বনিদ্বার দু'টির কম্পন, মুখের ঘরে তার কম্পন এবং নাসাপথে তার কম্পন এই তিন ধরনের কম্পনই আঁকা সম্ভব হয়েছিলো। (Noel-armfield 1931)। এখন প্রশ্ন হলো, আমরা সেখানে গেলাম কেনো কিংবা এটাই বা ভাববো কেনো? এই ‘জনখেলা’ কবিতায় কবি অরবিন্দ চক্রবর্তী পাঠকের ভেতরে এক কম্পন সৃষ্টি করেছেন শব্দের পৌনঃপুনিক ব্যবহার করে। ইন্দ্রিয়ানুভবও মূলত মন বা মস্তিষ্কের কাজ। তবু অর্থগ্রহণের জন্য মনকে যতখানি সক্রিয় হতে হয়, স্মৃতির চিন্তায় বিপুল সঞ্চয় হাতড়ে যতখানি মালমশলা গুছিয়ে এনে কাজটি সমাধা করতে হয়, নিছক ইন্দ্রিয়ানুভূতি গ্রহণে নিশ্চয়ই অতটা থাকে না। এটা নিউরোলজিস্ট বা শিরোবিজ্ঞানীরা আরো ভালো বলতে পারবেন। আমরা কেবল সাধারণ পাঠের ভিত্তিতে খানিকটা অনুমান করতে পারি। কাজেই ভাষায় ধ্বনিবাহিত অর্থের সৌন্দর্য যাতে আমাদের দৈনন্দিন ভাবনাচিন্তা-কল্পনার এক একটা নতুন ঝরোকা খুলে অভাবিত সুন্দরকে দেখিয়ে দিতে পারি। যেমন কালিদাসের উপমায়…… তাতে এখন আমাদের যাবার প্রয়োজন নেই, আমরা ভাষার ইন্দ্রিয়াভিত্তিক সৌন্দর্য, অর্থাৎ নিছক কানে শোনার সৌন্দর্য নিয়েই অনুসন্ধান করছি। ধমনি, টগবগ, হুইশকি, রিখটার স্কেল, ঘোড়সওয়ার, এইসব ইন্দ্রিয়গামী সৌন্দর্যের বাস্তব ভিত্তি কি আমাদের অনুমেয় নয়? বাস্তব ভিত্তি এটাই যে, আমাদের উচ্চারণের কতকগুলি বিশেষ লক্ষণ, যে লক্ষণগুলি উচ্চারণগত (articulatory) না হোক, বায়ুতরঙ্গগত চেহারা থেকে সে সৌন্দর্যের হয়তো কোনো একটা সূত্র পাবো আমরা।

জনখেলা’ কবিতায় কবি অরবিন্দ চক্রবর্তী, আমরা যে সৌন্দর্যতত্ত্বে বিশ্বাস করি তা ভাববাদী নয়, বস্তুবাদী এটাকেই উন্মোচন করেছেন। অর্থাৎ আমরা মনে করি, অন্তত ইন্দ্রিয়গত সৌন্দর্যের কোনো একটা ভিত, কোনো একটা মাপ-জোকের সংগতি বা সুষমা, বর্ণের কোনো একটা বিন্যাস বা সমাহার ইত্যাদি থাকে। নইলে সৌন্দর্যের অনুভব হয় না। কাজেই ধ্বনিসৃষ্টির ভিত্তিও নিশ্চয়ই ধ্বনিসৃষ্টির এমন কোনো বৈশিষ্ট্য, যার মধ্যে একটা সুষমা, শৃঙ্খলা, সংগতি বা বিন্যাস খুঁজে পাওয়া যাবে। জনখেলা কবিতায় কবি অরবিন্দ চক্রবর্তী শেষের দিকে এসে মেটাফরের খেলা খেলেছেন। ‘হল্ট’ নামক শব্দের প্রয়োগ করে বিনির্মানতাত্ত্বিক অব্যয় ভাবের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। পরপর কয়েকটি বাক্যে বিশেষ ধরনের শব্দ প্রয়োগ করে পাঠককে করে তুলেছেন চিন্তাগ্রাহী। মেটাফর যেমন সমশব্দের এ্যানালজি, পাঠকের সঙ্গে তার সংযোগ ভিন্নমাত্রিক।

অনুরূপভাবে ‘বহ্বাড়ম্বর’ কবিতাটি পাঠ করলে বোঝা যাবে কবিতায় কবি এখানে যে ব্যক্তিগত ভাবনার-মতামতের হদিশ মেলে। যেনো শব্দ এখানে আর কারো খবরদারি মানবে না। শব্দের অর্থ এখানে এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে, এখানে আমরা বাস্তবের স্ববিরোধকে অস্বীকার করছি। বিনির্মানতাত্ত্বিকদের এই সিদ্ধান্ত প্রায় স্ববিরোধী মন্তব্যের সামিল। কারণ যদিও কবি এখানে স্পষ্ট প্রতীয়মান করছেন যে অব্যয় অর্থ বলে কিছু নেই, বাক্যের শব্দশৃঙ্খলাই বিদ্যমান। মূলত কবির কাছে শব্দ সব কাঁচের মতো স্বচ্ছ এবং একে অন্যের সঙ্গে অর্থের সাহায্যে মিলে আছে। এখানেই কবির এই দৃষ্টি কবিকে সাধারণের থেকে অন্য মান অর্পণ করে। কবি শাব্দিকেরও শাব্দিক, সে শব্দের উৎসে স্পষ্ট লক্ষ্য করছে অর্থনির্মিত কারিগরকে, অর্থাৎ শব্দের অন্তরে শব্দ বলে টি এস এলিয়েট যেটাকে “লিটল গিডিং” বলে চিহ্নিত করেছিলেন।

কবি অরবিন্দ চক্রবর্তীর কবিতাকে কেন্দ্র করে  একটি শব্দ আমি উচ্চারণ করতে চাই। ননসেন্স। এর অন্তর্গত অর্থ এই যে উদভটের জগৎ। আজগুবি জগৎ। যে জগৎ আমাদের অনড় অভ্যাসকে টুকরো টুকরো করে দেয়। এখানে যুক্তি শৃঙ্খলার চেহারা বদলে যায়। ননসেন্স অর্থ এই নয় যে কবি আমাদের কোনো অর্থের জগতে পৌঁছতে দেয় না। অর্থাৎ ননসেন্স কবিতাকে বলতে হবে অসম্ভব ছন্দের কবিতা। অপরপক্ষে শক্তি চট্টোপাধ্যায় কবিতাকে পদ্য বলে সম্মোহিত করতো। প্রশ্ন উঠবে, কবিতা পদ্য নয় কেনো? কারণ কবি অরবিন্দ চক্রবর্তীর কবিতায় আইডিয়া ভাষার মধ্যে বিগলিত হচ্ছে। ভাষা হয়ে উঠছে ক্রীড়াময় সংগঠন। একরকম পরিব্রাজক।

কবি অরবিন্দ চক্রবর্তী ‘ভেতরিন লুকিয়ে হলে সঙ্গে’-এর কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোকে মোট তিনভাগে ভাগ করেছেন। “আরম্ভ পটল। নাভি পটল। অন্তিম পটল।” তিনটি ভাগে কবি অরবিন্দ চক্রবর্তী স্বয়ং বিষয়ীসত্তায় অন্তর্ঘাত করেছেন। যতটা পরিমাণে বিষয়ীসত্তায় অন্তর্ঘাত করেছেন ততটা পরিমাণে বিষয়ীসত্তা বহুধা-বিভাজিত হয়ে গেছে। ঠিক সেই অনুপাতে বাচনের অনুপুঙ্খগুলিকে চিহ্নায়কে রূপান্তরিত করেছেন। কবি বিষয়কে অনবরত নিরাকৃত করে গেছেন। বিষয়ীর কোনো সুনির্দিষ্ট অবস্থান কোথাও নেই। তিনি নিরপেক্ষ এবং প্রতীক্ষারত শুধু। যে কোনো উৎসজাত শব্দানুষঙ্গ ও ভাবনানুষঙ্গকে কবিতায় উপস্থাপন করার জন্য উৎসুক থেকেছেন। যেখানে কবি অরবিন্দ চক্রবর্তী ব্যক্ত ও অব্যক্তের সীমান্ত থেকে দেখতে পেয়েছেন যথাপ্রাপ্তের আশ্চর্য রূপান্তরে পূর্বধার্য নিয়ম কার্যকরী নয়। সেখানে all sovereignty is undermined, incompatible spaces epistemes and modes of discourse struggle for dominance....


[পর্ব: ০২ থাকছে আগামী রবিবার]


 লেখকের অন্যান্য লেখা: 


দুর্জয় খান। কবি ও সমালোচক। জন্ম: ১২ ই অক্টোবর ১৯৯৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী। প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ: ‘মানসিক অতৃপ্তির আখ্যান’ (২০২০) ও ‘ছায়াক্রান্তের শব্দানুষঙ্গ’ (২০২১)।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ